মেহেরপুর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মেহেরপুর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মেহেরপুরের পত্র পত্রিকা

Written By James on শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৪ | ১০:৩৯ PM

মেহেরপুর একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এলাকা হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে এখানে কোন দৈনিক বা পাক্ষিক পত্রিকা চালু নেই। বৃটিশ আমল থেকে মেহেরপুরে কিছু পত্রিকা চালু ছিল। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রামের রেয়াজ উদ্দিন আহমেদের সম্পাদনায় ১২৯৮ বঙ্গাব্দ সনে ‘ইসলাম প্রচারক’ এবং ১৩১২ বঙ্গাব্দ সনে ‘সোলতান’ নামে দু’টি পত্রিকা প্রকাশিত হতো। মেহেরপুরের কিছু পত্রিকার তালিকা নিম্নে দেয়া হলোঃ-

মাসিক ‘সাধক’
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামে অধিবাসী হীরালাল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বাংলা ১৩১৯ সালে'র ১লা বৈশাখ ‘নদীয়া সাহিত্য সম্মিলনী’ নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠিত হয়। এ সংগঠনের উদ্যোগে বাংলা ১৩২০ সালের ১লা বৈশাখে ‘সাধক’ নামে উন্নতমানের একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করে। এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - সতীশ চন্দ্রবিশ্বাস এবং প্রকাশক ছিলেন - অবিনাশ চন্দ্র বিশ্বাস। পত্রিকাটি দু’বছর নিয়মিতভাবে কৃষ্ণনগর থেকে মুদ্রিত হয়ে প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকাটিকে মেহেরপুরের ইতিহাসের প্রথম সংবাদপত্র হিসেবে গন্য করা হয়ে থাকে।

দু’বছরের প্রকাশনায় সাধক পত্রিকায় সাহিত্য-সংস্কৃতির পাশাপাশি তৎকালীন সময়ের নদীয়ার বিভিন্ন জনপদের বিবরণ প্রকাশিত হতো। পত্রিকাটি খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল বলে জানা যায়।

মাসিক ‘পল্লী শ্রী’
‘সাধক’ বাংলা ১৩২০ সাল হতে দু’বছর প্রকাশনার পর পরবর্তী দু’দশকের ও অধিক কাল মেহেরপুর থেকে কোন পত্র-পত্রিকা প্রকাশ হয়েছে বলে জানা যায় না। ‘পল্লী শ্রী’ নামে একটি মাসিক পত্রিকা বাংলা ১৩৪২ সালের শেষের দিকে প্রথম প্রকাশিত হয়ে কখনো নিয়মিত কখনো অনিয়মিত ভাবে ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের পূর্ব পযর্ন্ত প্রকাশিত হয়। অমরেন্দ্র বসু ওরফে হাবু বাবুর সম্পাদনায় মেহেরপুরের বর্তমান সামসুজ্জোহা পার্কের প্রধান সড়কের পশ্চিম দিকে অবস্থিত প্রমথ চন্দ্র রায়ের কমলা প্রেস থেকে পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো। পাকিস্থান সৃষ্টির পর প্রমথ বাবু কমলা প্রেস বিক্রি করে দেন। ফলে ‘পল্লীশ্রী’ বন্ধ হয়ে যায়। কবি অজিত দাস, দীনেন্দ্র কুমার রায় প্রমূখ নিয়মিত এ পত্রিকায় লিখতেন।

পাক্ষিক ‘সীমান্ত’
১৯৪৭ হতে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত মেহেরপুর থেকে কোন পত্র-পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। ১৯৬২ সালে মেহেরপুর থানা কাউন্সিলের উদ্যোগে সীমান্ত নামে একটি পাক্ষিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন মোঃ মফিজুর রহমান। মেহেরপুর বড়বাজারের এডলিক প্রিন্টিং প্রেস থেকে পত্রিকাটি চার বছর নিয়মিত প্রকাশিত হয় এবং ১৯৬৬ সালের শেষের দিকে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। কুতুবপুরের জনৈক শিল্পী মোঃ নাসিরুদ্দিন ‘আমকাঁঠাল লিচুতে ভরপুর, তারই নাম মেহেরপুর’- এই কথাগুলো লিখে পত্রিকাটির প্রচ্ছদ এঁকে দিয়েছিলেন।

‘প্রবাহ’
খ্রিস্টীয় ১৯৭৯ সালের ১৩ই মার্চ, বাংলা ১৩৮৫ সালের ২৮শে ফাল্গুন মেহেরপুর থেকে ‘প্রবাহ’ নামে একটি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিষয়ক বুলেটিন প্রকাশিত হয়। প্রবাহের সম্পাদক মন্ডলী ছিলেন মুহঃ আনছার-উল-হক, মোঃ আলী ওবায়দুর রহমান ও মোঃ নাসির উদ্দিন মীর। মেহেরপুর বড়বাজারের এডলিক প্রিন্টিং প্রেস থেকে এটি প্রকাশিত হতো কয়েকটি মাত্র অনিয়মিত সংখ্যা প্রকাশিত হয়। অনিয়মিত এবং সাহিত্য বিষয়ক বুলেটিন হলেও পত্রিকাটি মেহেরপুরের বিদগ্ধ মহলে খুবই সমাদৃত হয়েছিল।

সাপ্তাহিক পরিচয়
এসএম তোজাম্মেল আযমের সম্পাদনায় ১৯৮৫ সালে পরিচয় নামে একটি সাপ্তাহিক মেহেরপুর শহরের কাথুলী সড়কের গফুর প্রিন্টিং প্রেসে মুদ্রিত হয়ে প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯৮৭ সালে এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে ১৯৯১ সাল থেকে পুনরায় প্রকাশিত হতে থাকে। এ পত্রিকাটির প্রকাশনা অনিয়মিত।

দৈনিক আযম
এসএম তোজাম্মেল আযমের সম্পাদনায় ১৯৯২ সালের মার্চ মাস থেকে দৈনিক আযম নামে একটি সংবাদপত্র প্রকাশিত হচ্ছে। এ পত্রিকাটির প্রকাশনা অনিয়মিত।

সাপ্তাহিক চুম্বক
১৩৯২ বাংলা সনের ১২ই চৈত্র মোতাবেক ১৯৮৬ খ্রিস্টীয় সালের ২৬শে মার্চ মেহেরপুর কোর্ট রোডের লুমা প্রিন্টিং প্রেস থেকে সাপ্তাহিক চুম্বক প্রকাশিত হয়। প্রায় এক বছর নিয়মিত প্রকাশনার পর সরকারের নির্দেশে পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। এই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন- অ্যাডভোকেট সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।

সাপ্তাহিক মুজিবনগর
১৩৯৫ বাংলা সনের ২৬শে আষাঢ় ১৯৮৮ খ্রিস্টীয় সালের ১১ই জুলাই মেহেরপুর কোর্ট রোডের লুমা প্রিন্টিং প্রেস থেকে সাপ্তাহিক মুজিবনগর প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। অ্যাডভোকেট সৈয়দ আমিনুল ইসলাম পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক। পত্রিকাটির প্রকাশনা অনিয়মিত এবং এখন আর প্রকাশিত হচ্ছে না।

পাক্ষিক পশ্চিমাঞ্চল
রুহুল কুদ্দুস টিটোর সম্পাদনায় মেহেরপুর কাঁসারীপাড়া থেকে ১৯৯২ সালের ১৪ই ফ্রেবুয়ারি পাক্ষিক পশ্চিমাঞ্চল প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি ঢাকা থেকে কম্পিউটার কম্পোজে প্রকাশিত হতো। পত্রিকাটি এখন আর প্রকাশিত হচ্ছে না।

সাপ্তাহিক মেহেরপুর/ দৈনিক মেহেরপুর
১৯৯২ সাল থেকে অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদখানের সম্পাদনায় রশিদ হাসান খান আলো কর্তৃক সাপ্তাহিক মেহেরপুর প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে পত্রিকাটি দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। বর্তমানে রশিদ হাসান খান আলো পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক। এ পত্রিকাটির প্রকাশনা অনিয়মিত।
১০:৩৯ PM | 0 মন্তব্য(গুলি) | Read More

মেহেরপুরের কিছু ব্যক্তিত্ব

Written By James on বুধবার, ৬ এপ্রিল, ২০১১ | ৪:৪৩ PM

মেহেরপুরের উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তিত্ব হলেন- দরবেশ মেহের আলী, সাফদার আলী বিশ্বাস, মোঃ আব্দুল হান্নান, ডক্টর মোঃ সামসুজ্জোহা, ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ডক্টর মোহাম্মদ খলিলুর রহমান প্রমূখ।

দরবেশ মেহেরআলীঃ দরবেশ মেহের আলীর নামানুসারে মেহেরপুরের নামকরণ করা হয়। তার পদচারনায় মেহেরপুরের ব্যাপক পরিবর্তন আসে। মেহের আলী ১৬০৫ খ্রীষ্টাব্দে ইয়ামন শহরের খ্যাতিময় কোনিয়া বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কোরআনে হাফেজ, শরিয়ত, হাকিকত, হাদিস ও তাছাউফ, তফসীর ও ফেকা শাস্ত্রে ব্যাপক জ্ঞান লাভ করেন। এরপর তিনি ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে ভারত উপমহাদেশে আসেন। দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে তিনি ১৬৫৯ সালের দিকে তিনি মেহেরপুরে উপস্থিত হন। তিনি এখানে একটি দরবার শরীফ নির্মাণ করেন। অনুমান করা হয় ১৬৬০-১৬৬১ সালের দিকে এই দরবার শরীফটি নির্মান করা হয়। মেহের আলী শাহ মেহেরপুরে ইসলামের প্রসারতা লাভে অসংখ ইসলাম অনুরাগী ব্যাক্তিত্ব সৃষ্টি করেছিলেন।

সাফদার আলী বিশ্বাসঃ এ জেলার শিক্ষা বিস্তারের ইতিহাসে ১৯৪০ সালের পরবর্তী তিন দশক পর্যন্ত এক স্বর্ণ সিঁড়ি প্রোথিত করে গেছেন সাফদার আলী বিশ্বাস। তাঁর চেয়েও অনেক শিক্ষাবিদ উচ্চ শিক্ষায় জ্ঞান অর্জন করে আজ পৃথিবীর বহু স্থানে অধিষ্ঠিত হয়েছেন ঠিকই। কিন্তু সাফদার আলী জীবনে নিজেই শিক্ষাবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করনেনি- প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন শিক্ষা অর্জনের জন্য অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯০৭ সালের ১লা জুলাই তৎকালীন অবিভক্ত নদীয়া জেলার মেহেরপুর মহাকুমার তেহট্ট থানার গরীবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এবং তিনি ১৯৮৩ সালের ৩০শে অক্টবর ইন্তেকাল করেন। মেহেরপুরের শিক্ষা বিস্তারের ইতিহাসে সাফদার আলী এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ  ইতিহাস খ্যাত ও মুক্তিযোদ্ধা এমএ হান্নান অবিভক্ত বাংলায় নদীয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। দেশ বিভক্তির পর আমঝুপিতে বসবাসের জন্য সম্পত্তি বিনিময় করেন। আমঝুপিতে থাকাকালিন সময়ে জীবিকার সন্ধানে চট্টগ্রামে অবস্থান করেন। তারপর বাংলাদেশ আওয়ামীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। চট্টগ্রামে বিভাগীয় শ্রমীকলীগের সেক্রেটারী নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঐতিহাসিক চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করেন। তাঁর নামে চট্টগ্রামে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানের নাম করণ করা হয়েছে।

ডক্টর মোঃ সামসুজ্জোহাঃ মেহেরপুর জেলার আরেক কৃতি সন্তান ড. মোঃ সামসুজ্জোহা বাংলা ১৩২৯ সনে ৯ই আশ্বিন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি নিজ যোগ্যতায় ১৯৬৩-১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজের এবং ১৯৭৩-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৭৭-১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি ইরাকে চাকরি করেন।
৪:৪৩ PM | 1 মন্তব্য(গুলি) | Read More

মেহেরপুরের ইতিহাস

Written By James on রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ | ৫:৩৮ PM

মেহেরপুর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত সীমান্তবর্তী একটি জেলা। এটি খুলনা বিভাগের অর্ন্তগত। বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠনের স্থান হওয়ায় অস্থায়ী রাজধানী হিসাবে খ্যাত এই জেলাটি। অবিভক্ত ভারতবর্ষের নদীয়া জেলার অর্ন্তভূক্ত বৃহত্তর এই মহাকুমাটি ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ভারত বিভক্তির পর মেহেরপুর ছোট মহাকুমা হিসাবে পূর্ব-পাকিস্তানের কুষ্টিয়া জেলার অর্ন্তভূক্ত হয়। অবিভক্ত ভারতবর্ষে কুষ্টিয়া মিউনিসিপিলিটির পূর্বে মেহেরপুর মিউনিসিপিলিটি হিসাবে স্বীকৃতি পায়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাসে ১৯৮৪ সালে মেহেরপুর মহাকুমা থেকে জেলায় রূপান্তরিত হয়।
ইতিহাসের স্বর্ণপাতা থেকে অনেক অনেক পূর্বেই হারিয়ে গেছে মেহেরপুর এর নামকরণ সম্পর্কে যথাযথ তথ্যসমূহ। দীর্ঘকাল ধরে এ বিষয়ে ব্যপক লেখালেখি হয়েছে, তবুও বিষয়টি তামাশাচ্ছন্ন রয়ে গেছে। মেহেরপুর নামকরণ সম্পর্কে এ পর্যন্ত দু’টি অনুমানসিদ্ধ তথ্য আমরা জানতে পেরেছি। একটি হচ্ছে ইসলাম প্রচারক দরবেশ মেহেরআলী। অপরটি হচ্ছে পূর্ববঙ্গ রেলওয়ের বাংলায় ভ্রমণগ্রন্থ (১৯৪০) বচনকার মিহির ও তার পুত্রবধূ খনা এই শহরে বাস করতেন। মিহির নাম অনুসারে নামের উৎপত্তি হয়েছে। তবে, বেশির ভাগ মানুষের মতেই এই দুটি তথ্যের মধ্যে দরবেশ মেহেরআলী এর নামের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই মেহেরপুরের নামকরণ করা হয়। 

বিভিন্ন যুগের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে এই মেহেরপুর। উল্লেখযোগ্য ভাবে আমরা বৃটিশ শাষণ আমলের কথা বলতে পারি। বৃটিশ আমলে ইংরেজ নীলকরেরা নীল চাষ করানোর জন্য ১৮১৫-১৮২০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি নীলকুঠি স্থাপন করা হয়। 

১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনের ইতিহাসেও মেহেরপুর স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে। এই সময় লাল টুপির এক মহাসম্মেলনে মওলানা ভাসানী মেহেরপুরে আসেন। তিনি স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে তৎকালীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) এর উদ্দোগে আয়োজিত মেহেরপুরে এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকেন। 

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মেহেরপুর জেলার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল (তৎকালীন কুষ্টিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা বৈদ্যনাথতলাতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেন। এই সরকারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
৫:৩৮ PM | 0 মন্তব্য(গুলি) | Read More

 

Published by Mujibnagar | Contact Us | Bagladesh Company | Bangladesh History | Bagladesh Tech | Famous Bengali Personality